হার্ট
অ্যাটাক (এমআই) বা ব্রেইন অ্যাটাক (স্ট্রোক) হলে ২৫ ভাগ রোগী এক ঘণ্টার
মধ্যে মারা যায় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তাঁরা বলছেন, আক্রান্ত
ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি করানো দরকার। এনজিওগ্রাম,
এনজিওপ্লাস্টি, স্ট্যান্টিংসহ বাইপাস সার্জারির ব্যবস্থা আছে এমন হাসপাতালে
রোগী নিলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে।
রাজধানীতে এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এসব কথা বলেছেন। আজ শুক্রবার উত্তরা ক্লাবে ‘হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেইন অ্যাটাকের সর্বাধুনিক চিকিৎসা’ শীর্ষক এ সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন করে উত্তরা কার্ডিয়াক সেন্টার ও লুবানা জেনারেল হাসপাতাল।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেন, হার্ট ও ব্রেইন অ্যাটাকের আধুনিক চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে আছে। একই সঙ্গে কিছু অসাধু চিকিৎসক মানুষের দারিদ্র্য ও সরলতার সুযোগ নিয়ে অবৈজ্ঞানিক পন্থায় হৃদ্রোগ চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছেন।
লুবানা জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে হৃদ্যন্ত্র ও মস্তিষ্কের জরুরি চিকিৎসার নানা দিক তুলে ধরেন অধ্যাপক জালাল উদ্দিন, সৈয়দ আলী আহসান, মাহবুবুর রহমান, ফয়েজুল ইসলাম, রাশিমুল হক রিমন, সুভাষ কান্তি দে। রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন লুবানা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ মো. জহিরুল ইসলাম।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেন, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হলে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। এনজিওগ্রাম, এনজিওপ্লাস্টি, স্ট্যান্টিংসহ বাইপাস সার্জারির ব্যবস্থা আছে এমন হাসপাতালে রোগী নেওয়া উচিত। যেসব হাসপাতাল এসব ব্যবস্থা নেই সেখানে রোগী আসলে রোগীকে জীবনদায়ী ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। রোগী কিছুটা ভালো বোধ করার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে জীবনদায়ী ওষুধ প্রয়োগ ও রোগী বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যাপারে প্রতিটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ থাকা দরকার বলে তাঁরা মন্তব্য করেন।
রাজধানীতে এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এসব কথা বলেছেন। আজ শুক্রবার উত্তরা ক্লাবে ‘হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেইন অ্যাটাকের সর্বাধুনিক চিকিৎসা’ শীর্ষক এ সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন করে উত্তরা কার্ডিয়াক সেন্টার ও লুবানা জেনারেল হাসপাতাল।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেন, হার্ট ও ব্রেইন অ্যাটাকের আধুনিক চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে আছে। একই সঙ্গে কিছু অসাধু চিকিৎসক মানুষের দারিদ্র্য ও সরলতার সুযোগ নিয়ে অবৈজ্ঞানিক পন্থায় হৃদ্রোগ চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছেন।
লুবানা জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে হৃদ্যন্ত্র ও মস্তিষ্কের জরুরি চিকিৎসার নানা দিক তুলে ধরেন অধ্যাপক জালাল উদ্দিন, সৈয়দ আলী আহসান, মাহবুবুর রহমান, ফয়েজুল ইসলাম, রাশিমুল হক রিমন, সুভাষ কান্তি দে। রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন লুবানা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ মো. জহিরুল ইসলাম।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেন, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হলে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। এনজিওগ্রাম, এনজিওপ্লাস্টি, স্ট্যান্টিংসহ বাইপাস সার্জারির ব্যবস্থা আছে এমন হাসপাতালে রোগী নেওয়া উচিত। যেসব হাসপাতাল এসব ব্যবস্থা নেই সেখানে রোগী আসলে রোগীকে জীবনদায়ী ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। রোগী কিছুটা ভালো বোধ করার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে জীবনদায়ী ওষুধ প্রয়োগ ও রোগী বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যাপারে প্রতিটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ থাকা দরকার বলে তাঁরা মন্তব্য করেন।

Post a Comment